ডিএনএফ প্রেমিক ল্যুক, পুনর্জন্ম লাভ করে মার্ভেল জগতে, আর সেখানে সে এক সাত বছরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র হয়ে ওঠে, সঙ্গে পায় ডিএনএফ সিস্টেম। অক্টোপাস লোটাস, নিজেকে বলে প্রেরিতাত্মার অবতার, দিশানির্দেশ
বাদল আর বিদ্যুৎচমক—এমনই এক রাত।
এক যুবক কম্পিউটারের সামনে বসে আছে। তার আঙুলের টোকায় কীবোর্ডের শব্দ একটানা ভেসে চলেছে। পর্দায় DNF গেম, যুবক তার চরিত্র নিয়ন্ত্রণ করে এক ডাকাত কাটার আঘাতে বাদশাহকে শেষ করে ফেলল। তারপর সঙ্গে সঙ্গেই চোখ বন্ধ করে দুই হাত বাতাসে জোড় করে প্রার্থনা করতে লাগল।
"হঠাৎ ২=১, প্রভু মা, আমাকে একটা ঘন কুয়াশার শ্বাস দাও!"
যুবকের নাম লুক। পদবি লু, নাম কে। এত শক্তিশালী নাম হলেও সে যে ভাগ্যে খারাপ, সেটা বদলাতে পারেনি।
অগণিতবার টাইম ক্র্যাক ডuge চালিয়েছে, কিন্তু শেষ গুরুত্বপূর্ণ অংশটা পড়েই নেই। অনেক প্রার্থনার পর লুক চোখ খুলল। সঙ্গে সঙ্গেই তার হৃদস্পন্দন প্রায় বন্ধ হয়ে গেল। সে কি ঠিক দেখেছে?
তার চরিত্রের পায়ের কাছে ওটা কী?
ঘন কুয়াশার শ্বাস!
পড়েছে! অবশেষে পড়েছে!
উত্তেজিত হয়ে সে চরিত্র নিয়ন্ত্রণ করে আইটেমটা তুলতে গেল। কিন্তু দেখল, তুলতে পারছে না।
কী হলো? আঙুল দিয়ে কীবোর্ডে বারবার চাপ দিচ্ছে, কিন্তু মাটিতে পড়ে থাকা ঘন কুয়াশার শ্বাস কিছুতেই সাড়া দিচ্ছে না।
ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন? নাকি সিস্টেম নিষ্ক্রিয়?
লুক মনিটর জড়িয়ে ধরে মাথায় হাত দিয়ে বলল, "না! আমি তিন বছর অপেক্ষা করেছি, শুধু দলে ঢোকার সুযোগ পাব বলে। আর আল্লাহ্ তুমি আমার সাথে এমন করছ?"
বাইরে বজ্রের শব্দ। জানালার বাইরে বিদ্যুৎ চমকালো। হঠাৎ কম্পিউটারের পর্দা কালো হয়ে গেল, ঘরের আলোও নিভে গেল। চারপাশ অন্ধকারে ডুবে গেল।
"ছড়াৎ"—ঘরে কিছু একটা পড়ার শব্দ হলো। বাতাসে পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে পড়তে লাগল।
কিন্তু লুক আর সেটা টের পেল না।
...
এটা... কোথায়?
চোখ কষ্ট করে খুলল। তার নিজের নয় এমন কিছু স্মৃতি জোরে জোরে লুকের মাথায় ঢুকতে লাগল। তার মাথা ঘুরতে লাগল। মনে