প্রলয়ের পথে ছুটে চলা ট্রেন শিগগিরই যাত্রা শুরু করতে চলেছে। মানুষের নতুন ধরনের যান্ত্রিক অস্ত্র ও অজানা ভিনগ্রহী শক্তির মুখোমুখি সংঘর্ষ—শেষ পর্যন্ত কে হবে বিজয়ী? সভ্যতার দ্বন্দ্ব, পৃথিবীর এই অনিশ্চিত খ
চিন পেই ঘুম থেকে চোখ খুলে প্রথম যে জিনিসটি দেখতে পেল, একটি অতি কুৎসিত বিকৃত জন্তু তার স্লিপ পডে কামড় বসাচ্ছে।
স্টোরেজ কন্টেইনার কামড়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ফ্রিজিং ফ্লুইড বেরিয়ে গেছে। চিন পেই ফ্রিজিং অবস্থা থেকে জেগে উঠতে বাধ্য হলো।
সেই বিকৃত জন্তুটির শরীর দেখতে প্রাপ্তবয়স্ক উত্তর-পূর্ব চীনা বাঘের মতো, কিন্তু মাথাটা দেখতে ব্যাঙের মতো। তার বিশাল মুখ প্রায় পুরো মাথাটাই ঢেকে ফেলেছে।
চিন পেই এর আগে কখনো এমন জীব দেখেনি।
বিকৃত জন্তুটি চিন পেই-কে জেগে উঠতে দেখে আরও জোরে কামড়াতে লাগল।
চিন পেই ভয় পাওয়ার সময় পেল না। তীব্র বেঁচে থাকার ইচ্ছা তাকে স্লিপ পডের স্থিরকরণ ব্যবস্থা দ্রুত খুলতে বাধ্য করল।
আর বিকৃত জন্তুটি তাকে নড়াচড়া করতে দেখে যেন তার শিকারের ইচ্ছা আরও জাগ্রত হয়ে উঠল।
স্লিপ পডের উপরের অংশ ইতিমধ্যেই ফাটল ধরেছে। বিকৃত জন্তুটির আঠালো লালা ফাটল দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে, চিন পেই-এর মুখে পড়ছে। সঙ্গে সঙ্গে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ল।
ঠিক তখনি চিন পেই স্লিপ পডের বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পচা মাংসের টুকরো দেখতে পেল। তাতে তার বমি পেল।
স্লিপ পডের ভেতরে আটকা পড়ায় তার চলাফেরা সীমিত। সামনের সেই বিশাল মুখটা দেখে সে অসহায়। বিকৃত জন্তুটি বারবার স্লিপ পডের জানালায় কামড় বসাচ্ছে। ভয়ংকর শব্দে কান ফেটে যাওয়ার উপক্রম।
পালানোর উপায় নেই... মরতে হবে... চিন পেই হতাশায় ভাবতে লাগল।
তার মনে পড়ল 'জুরাসিক পার্ক' সিনেমায় ডাইনোসরের মুখে মানুষ খাওয়ার দৃশ্য। সে কতবার কল্পনা করেছিল, যদি নিজে এমন পরিস্থিতিতে পড়ত, তাহলে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছু করার থাকত না।
আজ সেটাই হলো। মনে বলে কী কষ্ট।
ভাগ্য ভালো ছিল না। সে তো দিব্যি ঘুমিয়ে ছিল। ঘুম থেকে উঠে দেখে মৃত্যু ডাক দিচ্ছে।
চিন পেই ম্লান হ