নিষিদ্ধ শক্তি জাগ্রত হয়েছে, ভাসমান অবস্থায় একের পর এক শূন্যতার স্তর অতিক্রম করে, অসীম তারাভরা মহাকাশের ওপর দিয়ে ছুটে এসে, সদ্য আত্মিক শক্তি ফিরে পাওয়া পৃথিবীতে এসে পড়ল। এর মধ্য দিয়ে এক নতুন কিংব
**প্রথম অধ্যায়: নিষিদ্ধ বায়ু**
রাত নামছে। ঘন কালো পর্দার আড়ালে মিলিয়ে গেল সূর্যের শেষরক্ত আভা। আকাশের আলো ম্লান হয়ে এল। সুলোর উদাস মুখে ভিজে ভিজে বাতাস এসে পড়ল। নাকে গন্ধ নিতেই মেশানো সমুদ্রের কাঁচা গন্ধ।
স্কুল ছুটির পর সুলো মলিন নীল ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে সমুদ্রের ধার দিয়ে হাঁটছিল। ক্লাস টিচারের কথাগুলো যেন এক গাদা বোঝা হয়ে চেপে বসেছিল তার মনে। এ কারণে বিকেলের সব তত্ত্বের ক্লাসগুলো সে কেটেছে শুধু বসে বসে, কিছুই মাথায় ঢোকার চেষ্টা করেনি।
এটাই প্রথমবার সুলো ভাবনায় ডুবল নিজের জীবনপথ নিয়ে। সুলোর পরিবার খুব সাধারণ। বাবা গাড়ির গ্যারেজে কাজ করেন, মাসে চার-পাঁচ হাজার টাকা আয়। মা সংসারের সুবিধার্থে সেলাইয়ের দোকানে খণ্ডকালীন কাজ করেন, মাসে তিন হাজার টাকার মতো আয় হয়। সুলোর ছোট ভাই স্কুলে পড়ে, ছোট বোনও। পাঁচজনের সংসার পুরোটাই বাবা-মায়ের আয়ের ওপর চলে।
খুব অভাবী সংসার না হলেও সঞ্চয় করার মতো কিছু থাকে না।
সেদিন সকালে ক্লাস টিচার একটি ক্লাস নিয়েছিলেন—এইচএসসির শিক্ষার্থীদের জন্য জীবনের বাস্তবতার মুখোমুখি করার মতো এক ক্লাস। এবং সেইসঙ্গে ছাত্রদের নিজেদের ভবিষ্যৎ বেছে নেওয়ার সুযোগ করে দেন।
এই পৃথিবীতে যোদ্ধা আর সাধারণ মানুষ একসঙ্গে বসবাস করছে, এটা আর গোপন নয়। ত্রিশ বছর আগে যখন কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গায় যুদ্ধবিদ্যা বিশ্ববিদ্যালয় মূলধারায় পরিণত হয়, তখন থেকেই যোদ্ধারা জনসমক্ষে আসতে শুরু করে। তবে কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও টিকে গেছে—কিছু যুদ্ধবিদ্যা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিশে গেছে, কিছু স্বতন্ত্র ছিল, শুধু যুদ্ধবিদ্যা বিষয় খুলেছে।
অর্থাৎ ত্রিশ বছর আগে থেকেই চীনের শিক্ষাব্যবস্থায় যোদ্ধা তৈরির উদ্যোগ শুরু হয়েছে। আর মাধ্যমিক শিক্ষা হচ্ছে যুদ্ধবিদ্যা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন রক্ত সরবরাহের মূল মাধ্যম। এ কারণে উচ্চমাধ্যমিকের