আমার একটি দোকান আছে, যেখানে ওষুধও বিক্রি করি, তাবিজও বিক্রি করি, মূল্যবান বস্তুও বিক্রি করি। যা কিছু বিক্রয়যোগ্য, সবই বিক্রি করি। আমার একটি চোখ আছে, সে শুভও দেখে, অশুভও দেখে, ভাগ্যও দেখে। সমস্ত জগতের
[নতুন বই "আকাশের প্রতি প্রশ্ন" প্রকাশিত হয়েছে, সংগ্রহ ও সুপারিশ করতে ভুলবেন না। নতুন বইয়ের সময়কালে সংগ্রহ ও সুপারিশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।]
শেনংজিয়া, উপত্যকা, শুকনো লতা, পুরনো গাছ, প্রজাপতি নাচছে!!
মানবশূন্য, সর্বদা রহস্যময় ও অসংখ্য কিংবদন্তি রেখে যাওয়া শেনংজিয়ার গভীরে একটি উপত্যকা রয়েছে। উপত্যকাটি চারদিকে পাহাড়ে ঘেরা। পিছনের পাহাড়ে একটি জলপ্রপাত আকাশ থেকে পড়ছে। উপত্যকায় প্রকৃতির এক অলৌকিক ছাপ ছড়িয়ে আছে। শুকনো লতা, পুরনো গাছে কাক ডাকে, প্রজাপতি উড়ে বেড়ায়। একটি প্রাচীন সৌন্দর্যময় অট্টালিকা উপত্যকার মাঝখানে অবস্থিত। অট্টালিকার ভেতরে রয়েছে একেকজন সাজানো-গোছানো পরিচ্ছদ পরা পরিচারিকা।
পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন, যেন এক অপরূপ পল্লী।
অট্টালিকার স্থাপত্য দেখে গাঢ় বেগুনি রং বোঝা যায়। যদি বাইরের লোক দেখত, তবে সম্ভবত চমকে লাফিয়ে উঠত—কারণ সবকটাই মূল্যবান চন্দন কাঠের তৈরি। এতে অট্টালিকায় হালকা চন্দনের সুবাস ছড়িয়ে আছে, যা মনকে শান্ত করে।
পিছনের উঠানে।
লাউয়ের লতা茁壮ভাবে বেড়ে উঠছে, লতিয়ে পড়ে একটি ছাউনি তৈরি করেছে।
তার নিচে, একটি পুরনো লতাপাতার চেয়ারে, সাদা লম্বা পোশাক পরা এক মধ্যবয়সী লোক শান্তভাবে শুয়ে আছে। তার চেহারা তেমন আকর্ষণীয় না হলেও এক ধরনের আধ্যাত্মিক ভাব রয়েছে। হাতে একটি কিছুটা হলুদ হয়ে যাওয়া প্রাচীন গ্রন্থ। সামনে একটি ছোট টেবিল, টেবিলের ওপর একটি ছোট কয়লার উনানে চায়ের কেটলি রাখা। পাশে কয়েকটি চায়ের কাপ সাজানো। বাঁশের পাতার মতো এক বাক্স চায়ের পাতা থেকে সৌরভ ছড়াচ্ছে।
দেখতে যেন ছবির মতো দৃশ্য।
"হায়!!"
দীর্ঘশ্বাস ফেলে মধ্যবয়সী লোকটি প্রাচীন গ্রন্থটি ধীরে ধীরে বন্ধ করল। তার ভ্রূণকুটে এক ধরনের আকাঙ্ক্ষা ও স্মৃতিচারণার ভাব ফুটে উঠল।
গ্রন্থের নাম ক封面 থেকে দেখা য